গণামধ্যমকে নিখুঁত করে গড়ে তুলতে সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন - তথ্যমন্ত্রী
এনইসির যুগ্ম আহবায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারের পরিচালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান।
ঢাকা অফিসঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম সমাজ ও রাষ্ট্রের আয়না। সে কারণে এটিকে অবশ্যই নিখুঁত হতে হবে। কিন্তু গণমাধ্যমকে নিখুঁত করে গড়ে তোলার দায়িত্বও গণমাধ্যমকেই পালন করতে হবে। এজন্য সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গির ওপর দাঁড়াতে না পারলে ভবিষ্যতেও একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা যাবে না।
গতকাল সোমবার রাজধানীর তথ্য ভবনের ডিএফপি সম্মেলন কক্ষে ‘ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)’ আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় মিডিয়ার ব্যর্থতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ১৬ জুন বাকশালি শাসনে সংবাদপত্র বন্ধের কালো দিবস উপলক্ষে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
এনইসির যুগ্ম আহবায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারের পরিচালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমার কাছে মনে হয়েছে, গণমাধ্যমকে নিখুঁত করে গড়ে তোলার এ-সংক্রান্ত যত উদ্যোগ তা সব সময় কিছুটা ছিল আংশিক। যেহেতু এটি কখনোই পূর্ণাঙ্গতা পায়নি এবং সে কারণেই বাংলাদেশের গণমাধ্যম একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা পারিনি। অবশ্যই বিগত দিনের সব সরকারের এ দায়-দায়িত্ব বহন করা উচিত।
এ জন্য সব পক্ষকে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কারণ আমরা যদি শুরুতেই আমাদের লক্ষ্যের ব্যাপারে ঐক্যমত তৈরি করতে না পারি এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারকে যদি একই মঞ্চে দাঁড় করতে না পারি, তাহলে এই কঠিন কাজটা অতীতে যে কারণে হয়নি, এবারেও কিন্তু সে কারণে আবার ব্যর্থতায় পর্যবষিত হতে পারে।
গণতন্ত্রকে কাঠামোবদ্ধ না করা পর্যন্ত আমরা গণতন্ত্র চর্চা করতে পারব না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখানে যে সমস্যাটি প্রধানত কারণ হিসেবে কাজ করেছে তাহলোÑ আমরা ভিন্নমত সম্মিলিতভাবে চর্চা করার জন্য যে সংস্কৃতি এবং তাকে কাঠামোবদ্ধ করার যে কাজÑ সেটিকে কখনোই আমরা প্রাতিষ্ঠানিক করতে পারিনি। আমি খুবই আশাবাদী এবারে আপনাদের এই (সেমিনারে দেওয়া) বক্তব্য এবং ইতোমধ্যে অন্য যার যার সঙ্গে আমি কথা বলেছি তাদেরও যে লক্ষ্য এবং কনক্লুশন আমি তার মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য খুঁজে পাইনি।
তিনি বলেন, বৈচিত্র্যের যে একটা সম্মিলিত অবস্থানÑ আমরা যদি সেটাকে একবার দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারি এবং সেখানে যদি আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে একটা কমিশন দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারি তাহলেই কিন্তু সব সমস্যার সমাধানের একটা আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে তা আমরা করতে পারব।
সরকারের স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করার উদ্যোগের ক্ষেত্রে এনইসি প্রধান অংশীদার হবে-এমন আশা প্রকাশ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই আশা এমন দিনে ব্যক্ত করছি যেদিন ১৯৭৫-এ সমস্ত গণমাধ্যমের কন্ঠস্বরকে হত্যা করা হয়েছিল। এমনও হতে পারে আমরা সকলে মিলে এই দিনটিকে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবস হিসেবেও আমরা চর্চা করতে পারি অথবা নির্ধারণ করতে পারি। এতে দেখা যাবে যে, ১৬ জুন যারা কৃষ্ণ দিবস তৈরি করেছিল, তার বিপরীতে আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে দাঁড় করাতে পারি । সম্ভবত, ফ্যাসিবাদী এবং সৈরতান্ত্রিক মানসিকতার বিপরীতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চাইতে কোন মধুর প্রতিশোধ আর হতে পারে না।
সভাপতির বক্তব্যে মাহমুদুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস হচ্ছে একনায়কতন্ত্র বাকশালের ইতিহাস। আওয়ামী লীগের ইতিহাস হচ্ছে ফ্যাসিবাদের ইতিহাস, সংবাদপত্র দলনের ইতিহাস। স্বাধীনতার পর থেকেই আমরা এটা দেখে এসেছি এবং সংবাদত্রের কালো দিবস হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন। তাই, আওয়ামী লীগের সঙ্গে মানুষের অধিকার ছিন্ন করবার ইতিহাসটা স্বাধীনতার পরবর্তীকাল থেকেই চলছে। আজকের মূল প্রবন্ধে আমাদের বক্তব্য মোটামুটি দেওয়া হয়ে গেছে।
এই সেমিনার আয়োজনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমার দেশ সম্পাদক বলেন, আমরা এই ধরনের রাষ্ট্র ব্যবস্থার পরিবর্তন চাই। আর এই পরিবর্তন চাইতে গেলে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা মিডিয়াকে কোটারিমুক্ত করে এটাকে জাতীয় চরিত্র দিতে চাই। এজন্য আমাদের সংগঠনের নামে ‘ন্যাশনাল’ শব্দে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এতে প্রথমবারের মত ঢাকার বাইরের জেলা পর্যায়ের সম্পাদকরাও আছেন।
মাহমুদুর রহমান বলেন, আমরা মিডিয়ার প্রকৃত স্বাধীনতা চাই। অর্থাৎ আমার মতটা যাতে আমি প্রকাশ করতে পারি। আপনার যদি আমার মত পছন্দ না হয়, তাহলে আপনি লিখে আমার মতের প্রতিবাদ করবেন। তবে আমার কন্ঠরোধ করবেন না। এটাই আমাদের চাওয়া। এটাই মিডিয়ার প্রকৃত স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা করতে হলে আমাদের অন্তত এই ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিনি বলেন, সম সম্পাদকীয় নীতি এক হবে না। তবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সহ কিছু মৌলিক ইস্যুতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারি। ফ্যাসিবাদী আমালে এই জিনিসটাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। যেমন-সে সময়
প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান করা হয়েছিল-বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমকে। অথচ শপথ ভঙ্গের কারণে তার ইমপিচমেন্ট হওয়া উচিত ছিল। শেখ হাসিনা সরকার মিডিয়াকে কিভাবে দেখতেন, সেটা আমরা এই নিয়োগ থেকে বুঝতে পারি।
এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, সরকারের নিয়োগগুলো গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, নিয়োগগুলো মেসেজ দেয় যে, সরকার আসলে কি বলতে চাচ্ছে, কি করতে চাচ্ছে। এই কারণেই নিয়োগের ব্যাপারে তারা যেন সতর্ক থাকে।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের সহযোগীরা আত্মশুদ্ধি করে আমাদের ঐক্যে আসতে চাইলে আপত্তি নেই। তবে যারা হত্যাকান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, বা গণহত্যাকে জায়েজ করেছেন, তাদেরকে এই ঐক্যের মধ্যে নেয়ার সুযোগ নেই। তাদের ক্রিমিনাল আইনে বিচার হতে হবে। আমরা আশাকরি, শেখ হাসিনা মিডিয়ার যে স্বাধীনতা ধ্বংস করেছিল, ড. ইউনুস সরকার সেটার অনেকাংশে পুনরুদ্ধার করেছেন, বর্তমান সরকারও সেটা অব্যাহত রাখবে।
কারণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে দেখেছি যে, তারা দুজনেই মিডিয়ার প্রতি অত্যন্ত সহনশীল ছিলেন। আশাকরি, বর্তমান বিএনপি সরকার তারা সেই আদর্শ সমুন্নত রাখবেন। আমরা আমাদের কাজ অব্যাহত রাখবো এবং কোন চাপের মুখে আমরা আত্মসমর্পণ করব না, ইনশাআল্লাহ।
মূল প্রবন্ধে মারুফ কামাল খান বলেন, শেখ মুজিবের বাকশালি ব্যবস্থার চূড়ান্ত ও নির্মম আঘাতটি আসে গণমাধ্যমের ওপর । ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন তৎকালীন সরকার চারটি পত্রিকা সরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু রেখে সব সংবাদপত্রের নিবন্ধন বাতিল করা হয়। ১৬ জুনের এই কালো দিনটি দেশের ইতিহাসে সংবাদপত্রের কালো দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশের সাংবাদিকতা পেশার অপমৃত্য ঘটানো হয়।
তিনি বলেন, মিডিয়া পুনর্গন স্বাধীন গণমাধ্যমে কমিশন গঠন অপরিহার্য। এক্ষেত্রে সময়ক্ষেপন না করা ভালো।
সেমিনারে নয়াদিগন্ত সম্পাদক সালাহউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, এনইসি কারো প্রতিপক্ষ বা প্রতিক্রিয়া নয়, আমরা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে সারাদেশের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের একত্রিত করতে চাই।
কালের কণ্ঠ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ বলেন, আমরা শেখ হাসিনার ভীতিকর স্বৈরশাসন দেখেছি। তার ১৭ বছরের মিথ্যাচার ও অন্ধকার দিনগুলো নিয়ে গবেষণা ও তরুণদের জানানো দরকার। তিনি দৈনিক বাংলা আবার চালু করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।
ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, ১৬ জুন চারটি বাদে সব সংবাদপত্র বন্ধের কারণ হলো-তারা চাইতেন, না খেয়ে রাস্তায় মরে থাকা মানুষের নিউজ যেন না আসে। তাদের অপকর্মগুলা যাতে মানুষ না জানে। তিনি বলেন, আমরা ফ্যাসিবাদের দিনগুলোতে ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা, খালেদা জিয়ার ওপর অন্যায়-অত্যাচার, রাজনীতিক ও সাংবাদিক নির্যাতন, ব্যাংক ডাকাতির কথা ভুলিনাই। নতুন করে কেউ ফ্যাসিবাদ কায়েমের অপচেষ্টা করবেন না।
ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন অভিযোগ করে বলেন, ফ্যাসিবাদি সাংবাদিকদের আবার মুলধারায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। সংবাদপত্র ও সাংবাদিক নিয়ন্ত্রণের কোন পদক্ষেপ না নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান তিনি।
বিএফইউজে সাধারণ সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী বলেন, ফ্যাসিবাদের দোসররা আবার ফিরে আসা শুরু করেছে। কোথাও কোথাও সরকারের নমনীয়তা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা যেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের ছাড় না দিই। বর্তমান সরকারের কাছ থেকে ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিষয়ে আপসকামিতা দেখতে চাই না।
মানবকণ্ঠ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী শাসনে প্রতিটি দিনই ছিল সংবাদপত্রের কালো দিবস। আমরা সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি। কিন্তু সেই দুর্দিনে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব সাংবাদিকদের পাশে দাড়ায়নি।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, আমরা বাকশাল দেখিনি, কিন্তু আওয়ামী দু:শাসন দেখেছি। কীভাবে সম্পাদক, সাংবাদিক নির্যাতন করা হয় তা দেখেছি। সেই ফ্যাসিবাদ মোকাবেলার ব্যাপারে সমাধান খুঁজতে হবে। এক্ষেত্রে মিডিয়া মালিক ও সাংবাদিক কারা হবেন-তার সুনির্দিষ্ট পলিসি থাকতে হবে।
পিআইবি চেয়ারম্যান ফারুক ওয়াসিফ বলেন, ১৯৭২ সালের মার্চে একজন সম্পাদকের চাকরি হারানোর মধ্য দিয়ে মূলত, কালো দিবস শুরু হয়। ইতিহাস দেখিয়েছে, ১৯৭২ থেকে ৭৫ সালে শুধু গণমাধ্যম দমনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদও আসে। ২০০৯ থেকে বিশেষ করে ২০১৪ সালের পর দেশে আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়। এতে বিপুল সংখ্যক এলিট শ্রেণি সম্পৃক্ত ছিল। সার্বক্ষণিক লড়াই ছাড়া ফ্যাসিবাদ মোকাবেলা করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, বাংলাদেশের খবর সম্পাদক সৈয়দ মেছবাহউদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি রাশেদুল ইসলাম এবং নিউ টাইমস সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, গ্রীন ওয়াচ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, নয়া দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, আমার দেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক ও বিএফইউজে’র সাবেক সভাপতি এম আবদুল্লাহ, ডিএফপি মহাপরিচালক খালেদা বেগম, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল ঠাকুর, ডিইউজের সাবেক সভাপতি এলাহী নেওয়াজ খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার ফরিদ আহমদ, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক সায়েম ফারুকী, খোলা কাগজের সম্পাদক মনির হোসেন, দৈনিক নওরোজ সম্পাদক শামসুল হক দুররানি, আমার কাগজ সম্পাদক ফজলুল হক রানা, বাংলাদেশ পোস্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সদরুল হাসান, ঢাকা মেইলের নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল, দ্য ডেইলী ইকোনমিক এক্সপ্রেসের প্রকাশক ও সম্পাদক আমীর হোসেন জনি, দৈনিক গণমুক্তির সম্পাদক ও প্রকাশক শাহাদাৎ হোসেন শাহীন, বাণিজ্য প্রতিদিন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, দৈনিক ভোরের বাংলার সম্পাদক শেখ মো. আরিফ, আমার দেশের বার্তা সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, বিএফইউজে’র সহসভাপতি খায়রুল বাশার, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, বিএফইউজে’র সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন ও ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন, ডিইউজের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম, মোহনা টিভির হেড অব নিউজ রাশিদুল হক, নারায়ণগঞ্জের দৈনিক যুগের চিন্তার সম্পাদক আবু আল মোরসালিন বাবলাসহ বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক, সিনিয়র সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।



