সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: জুলাই গণহত্যার মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পলাতক সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের ফাঁসির রায় হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিষ্টি বিতরণ করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।
আজ মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক শোকরিয়া জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে এ মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
এ সময় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, জুলাই গণহত্যার অন্যতম প্রধান মাস্টারমাইন্ড ওবায়দুল কাদের ও সংগঠকদের ফাঁসির রায় দেওয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, প্রসিকিউশন টিম ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।
তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন
ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান জুলাই গণহত্যার বর্বরতাকে অনিবার্য করতে ভূমিকা রেখেছিল। জুলাই শহীদ পরিবার ও দেশবাসী চব্বিশের ৫ আগস্টের বিজয়ের পর দুই বছর ধরে অপেক্ষা করে এ রায় পেলো। আশা করি সরকার দ্রুততম সময়ে শেখ হাসিনাসহ এ সাতজনকে ভারত থেকে দ্রুততম সময়ে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের সামনে বিচার ও রিকন্সিলিয়েশনের (সমঝোতা) গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কোনো বিকল্প নাই। তাই আদালত ও সরকারকে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে হবে, বিচার দ্রুত হলে রিকন্সিলিয়েশনও দ্রুততর
হবে।
জুলাই গণহত্যার মূল ঘাতকদের রায়ের আগের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুহাম্মদ আলীর জিন্নাহর ছবি ভেঙে জনগণের মনযোগ সরানোর চেষ্টা হয়েছে বলে খোমেনী ইহসান অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, কোনো ঘটনা ঘটিয়ে ফ্যাসিস্টদের বিচারের ইস্যুকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা যাবে না। ছবি ভাঙা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। দেশে গণতন্ত্র আছে বলে ছবি ভাংচুরের ঘটনায় খুন খারাপি ঘটেনি। অথচ ফ্যাসিস্ট আমলে ছবিকে পবিত্র ও সম্মানিত মনে করে বিরোধী মতকে হত্যা করা হতো। এখন ছবি ভেঙে সে সংস্কৃতি ফেরাতে চাইলেও কেউ সাড়া দিচ্ছে না।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. নাবিল আহমদ, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সমন্বয়ক মো. আরিফুল ইসলাম ও সহকারী সদস্য সচিব মো. শফিকুর রহমান।



